২০১৮ সালের পর আসবে নতুন মজুরি বোর্ড 

​বাংলাদেশে কর্মরত শ্রমিকেরা যাতে কোনো ভাবেই বঞ্চিত না হয় সেই জন্য রাখা হয়েছে মজুরি বোর্ড।  দায়িত্বপ্রাপ্ত  অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সমন্বিত পরামর্শের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয় মজুরি।


শ্রমিকদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ: প্রতিবন্ধকতা ও করণীয় শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় শ্রম ও কর্মসংস্থানসচিব মিকাইল শিপার কথা বলেন শ্রমিক সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে।

তিনি বলেন যে,  পাঁচ বছর আগে মজুরি বোর্ড ঘোষণা করা হয়েছে। সে হিসাবে আবার ২০১৮ সালে মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেওয়া হবে। সে সময় আলোচনা করে ছয় মাস সময় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় নতুন মজুরি বোর্ড ঘোষণা করা হবে। এ কারণে ২০১৯ সালের আগে নতুন মজুরি বোর্ড ঘোষণা করা হবে না। 

শ্রম আইনে নারী শ্রমিকদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা রক্ষার বিষয়ে কিছু বলা নেই। শ্রমিকদের নিজেদের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন করতে শ্রম আইন নিয়ে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। কারখানায় ভালো উৎপাদন পেতে শ্রমিক-মালিক-সরকারের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং মধ্যবর্তী পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা ভালো করা দরকার বলে তিনি মনে করেন। 

এছাড়াও আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য শিরিন আখতার, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত সচিব সামছুজ্জামান ভূইয়া, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও মাল্টি সেক্টরাল প্রকল্প অন ভায়োলেন্স অ্যাগেইনস্ট উইমেনের প্রজেক্ট ডিরেক্টর আবুল হোসেন, বিজিএমইএর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, এসআরএইচআর অ্যান্ড জেন্ডার অ্যাম্বেসি অব দ্য কিংডম অব দ্য নেদারল্যান্ডসের উপদেষ্টা মাশফিকা জামান সাটিয়ার প্রমুখসহ আরও অনেকে। 

Be the first to comment on "২০১৮ সালের পর আসবে নতুন মজুরি বোর্ড "

Leave a Reply