শ্রমিক আন্দোলনে লাভবান হয়নি কোনো পক্ষই

​ন্যূনতম বেতন বৃদ্ধির দাবিতে আশুলিয়ার শ্রমিকেরা আন্দোলন শুরু করে বন্ধ করে দিয়েছিল কারখানার উৎপাদন।  ঘটেছে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া।


এর পরেই আবার শ্রমিকেরা কাজে যোগদান করে।  এতে শ্রমিক এবং মালিক দুপক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।  

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের ১৫তম দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পোশাক কারখানার মালিকদের উদ্দেশ্যে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এবং বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন সাম্প্রতিক আন্দোলন নিয়ে কথা বলেন।  

তিনি বলেন যে ,  ‘আপনারা কারখানা বন্ধ করে দিয়ে মনে করেছেন আপনাদের জিত হয়েছে, হয় নাই। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে আপনারা মনে করেছিলেন শ্রমিকদের চিরদিনের জন্য স্তব্ধ করে দেবেন। আপনারা শ্রমিকদের সঙ্গে পারেন। কই বায়ারদের সঙ্গে তো আপনারা পারেন না? বায়াররা যে আপনাদের দাম দেয় না, সেখানে তো কথা বলেন না আপনারা? 

‘আপনাদের সংগঠন আছে, বিশাল বিল্ডিং রয়েছে। সেখানে আনন্দ-উপভোগের সমস্ত কিছু রয়েছে। কিন্তু শ্রমিক দমন ছাড়া, শ্রমিকদের স্বার্থের উল্টোপথে হাটা ছাড়া কিছুই করেন না আপনারা। দুর্ভাগ্যজনক যে, এই দেশে শ্রমিকদের আপনারা আপনাদের ঘরের দাস মনে করেন। ’ 

শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর। তবে এই কাজে শ্রমিকদের ও সহযোগিতা করা সমান ভাবে দরকার। 

Be the first to comment on "শ্রমিক আন্দোলনে লাভবান হয়নি কোনো পক্ষই"

Leave a Reply