মুম্বাইকে জয় এনে দিলেন বুমরাহ

https://www.bdnow24.com/category/খেলাধুলা/

কতোভাবেই না শেষ হয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচ। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম এই ফরম্যাটের পরতে পরতে থাকে উত্তেজনা। সেই উত্তেজনা কয়েক গুণ বেড়ে যায়, যদি ম্যাচ শেষ হয় সুপার ওভারের উত্তেজনা নিয়ে। আইপিএলেই যেমন গতকাল একটা ম্যাচে হলো। এই ম্যাচে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে সুপার ওভার করেন জাসপ্রিট বুমরাহ। ম্যাচ শেষে তিনি দিয়েছেন- একটা সফল সুপার ওভার কিভাবে করতে হয়, তার বুদ্ধি।দশম বছরে এসে আইপিএল দেখলো মাত্র সপ্তম সুপার ওভার। এদিন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের প্রতিপক্ষ ছিলো গুজরাট লায়ন্স। প্রথম ইনিংসে তারা করে ১৫৩ রান। ফলে জেতার জন্য মুম্বাইয়ের দরকার ছিলো ১৫৪ রান। ৪৪ বলে ৭০ রান করে দলের জয়ের পথটা প্রশস্ত করে দেন পার্থিব প্যাটেল। কিন্তু পরের দিকের ব্যাটসম্যানরা সেই প্রশস্ত পথ ধরে হাঁটতে পারেননি। বরং একের পর এক পিচ্ছিল খেয়ে হারিয়ে ফেলেছেন পথ। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স পড়েছে বিপদে।শেষ দুই বলে জেতার জন্য মুম্বাইয়ের দরকার ছিলো দুই রান। প্রথম বলটাতে এক রান নেন ক্রুনাল পান্ডে। ম্যাচে তখন ভর করেছে সমতা। শেষ বলে একটামাত্র রানই নিশ্চিত করতে পারতো মুম্বাইয়ের জয়। স্ট্রাইকে ছিলেন ল্যাসিথ মালিঙ্গা।কিন্তু মালিঙ্গা পারেননি। ব্যর্থ হয়েছেন এক রান নিতে। ফল ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। দলের অভিজ্ঞতম বোলার হিসেবে মালিঙ্গার হাতেই বল তুলে দেয়ার কথা ছিলো মুম্বাই ম্যানেজমেন্টের। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে মুম্বাই ভরসা করে জাসপ্রিট বুমরাহর উপর।বুমরাহ বল হাতে নেয়ার আগে গুজরাটের করা সুপার ওভারে করে ১১ রান তুলে মুম্বাই। ফলে বুমরাহর কাঁধে পড়েছিলো ১১ রানের পুঁজি বাঁচানোর ভার। একটি ওয়াইড এবং একটি নো বল দিয়েও এই ভার বইতে সফল হয়েছেন তিনি!ম্যাচ শেষে বুমরাহ দিলেন সফল সুপার ওভার করার বুদ্ধি। তিনি বলেন, ‘আসলে আমি অনুশীলনে প্রায়ই ডেথ ওভারের বোলিংটা বোঝার চেষ্টা করি। অনুশীলনে রান আটকে রাখার পরিকল্পনা করি। সেটাই সুপার ওভারে কাজে লাগিয়েছি। আমার মনে হয়, সুপার ওভারে সফল হওয়ার মূলমন্ত্র হলো মাথা ঠাণ্ডা রেখে বোলিং করে যাওয়া। ’​

Be the first to comment on "মুম্বাইকে জয় এনে দিলেন বুমরাহ"

Leave a Reply