মুভি রিভিউ: ইডজ অফ টুমরো 

EDGE OF TOMORROW  

জাপানি উপন্যাসের উপর ভিত্তি করে নির্মিত আমেরিকান মিলিটারি সাইন্সফিকশান থ্রিলার মুভি।  

ইউরোপে এলিয়েন এসে উপস্থিত হয়।এই মারাত্তক এলিয়েন ইউরোপের সব মানুষকে মারা শুরু করে। জার্মান, স্পেন, ইতালি, ফ্রান্স  সব সাফ করার পর ইংল্যান্ডের দিকে নজর দেয়। যুদ্ধের অবস্থা পর্যবেক্ষনের জন্য আমেরিকা  থেকে টম ক্রুজকে লন্ডনে পাঠানো হয়।  টম ক্রুজ লন্ডনে এসে কুটনৈতিক বলি হয়ে যান এবং তাকে যুদ্ধে যেতে বাধ্য করা হয়। 
এলিয়েনগুলো অনেকটা মৌমাছির মত, মৌমাছির যেমন একজন রানী সব মৌমাছিকে কন্ট্রোল করে তেমন । এই এলিয়েনের একটি সেন্ট্রাল নার্ভ সিস্টেম আছে যার নাম আলফা। আলফা সহ যত এলিয়েনের বাচ্চা আছে সবগুলাকে কন্ট্রল করে ওমেগা। আলফাকে মারতে পারলে ওমেগা টাইম রিসেট করে যতক্ষন না পর্যন্ত ওমেগাকে মারতে না পারবে। ওমেগাকে মারলে সব এলিয়েন খতম। কিন্তু ওমেগা মারা তো খেলা কথা না। 
যদিও যুদ্ধ,অশ্ত্র এসব সম্পর্কে টম কিছুই বোঝেন না তবুও টম ঘটনাবশত আলফাকে মেরে ফেলেন, ফলে ওমেগা টাইম রিসেট করে দেয়।

প্রথমবার যখন টাইম রিসেট হয় তখন আপনার খটকা লাগবে, এই জায়গাটা বুজতে দুইবার মুভিটা দেখতে হয়েছে।

মুভির পচিশ মিনিটের পর মনে হবে ঘটনা কি? আবার প্রথম থেকে শুরু হইল ক্যালা ? কোন শালায় আবার গোড়া থিকা দিল ?? নাকি আমিই ভুল কইরা টিপা দিসি ?? 

এভাবে বহুসংখ্যকবার টম ক্রুজ যুদ্ধক্ষেত্রে মারা যাবেন এবং ততবার ওমেগা টাইম রিসেট করবে, আপনার হয়ত বারবার  প্রথম থেকে মুভি শুরু হচ্ছে বলে মনে হবে। 

এই মুভিতে ভয়, ভালবাসা, আবেগ সবকিছুই পাবেন আর যা পাবেন চরম কিছু ফানি মোমেন্ট । মুভিটা সাইন্সফিকশান হলেও এর পিছনের লাভ স্টোরি খুজে পাবেন । 

মুভিতে এমিলি শান্ত টাইপের মেয়ে হলেও ডাকাইতের মতন এলিয়েন মারে , শান্ত টাইপের মেয়ে যে কতটা ডেঞ্জারাস হইতে পারে !! 

মুভিটা এখও ডিলিট করিনি আর একবার দেখবো বলে ।

লিখেছেন: Rayan Kabir

Be the first to comment on "মুভি রিভিউ: ইডজ অফ টুমরো "

Leave a Reply