ভারত-ইংল্যান্ড ৪র্থ টেস্ট শুরু।

শুরুটা করেছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা, শেষটাও তিনি। মাঝের সময়টা ভেলকি দেখালেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তবে মুম্বাই টেস্টের প্রথম দিনটা এঁদের কারওরই নয়, আজকের দিনটা শুধুই কিটন জেনিংসের। রেকর্ড গড়া এক সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ডকে স্বপ্নের শুরু এনে দিয়েছেন এই ওপেনার। শেষ দিকে অন্যদের ব্যর্থতার পরও এগিয়ে থেকে দিন শেষ করেছে সফরকারীরা। ৫ উইকেটে ২৮৮ রান করেছে ইংল্যান্ড।
মাঝখানে একবার ১৯ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলার অস্বস্তি আছে ইংল্যান্ডের। না হলে দিনটা আরও ভালো হতে পারত। ইংল্যান্ডের অস্বস্তি, আরও একটা এমন ধাক্কা তাদের প্রাপ্য স্কোর থেকে বঞ্চিত করতে পারে। তবে প্রথম দিন শেষে ইংল্যান্ডের চেয়ে ভারতের অস্বস্তিই বেশি।
হাসিব হামিদের চোটে হঠাৎ ডাক পেয়েছিলেন, ইংল্যান্ড থেকে উড়িয়ে নিয়ে আসা হয় জেনিংসকে। দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত জেনিংসকে নিয়ে ততটা আলোচনা হয়নি, যতটা হয়েছে হামিদকে নিয়ে। যাঁর বদলি হিসেবে দলে ঢুকেছেন, সেই হামিদ ৩ টেস্টেও যা করতে পারেননি জেনিংস করে দেখালেন। ১৯তম ‘ইংলিশ’ ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেকেই করেছেন সেঞ্চুরি।
সে সেঞ্চুরিতে ওয়াংখেড়ের রেকর্ডও গড়েছেন জেনিংস। এ মাঠে অভিষেকে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান এখন এই ইংলিশ ক্রিকেটারের। ওয়াংখেড়েতে অভিষিক্তের প্রথম সেঞ্চুরিতে ওয়াইস শাহের একটি রেকর্ডও। ২০০৬ সালে অভিষেক ইনিংসে ৮৮ রান করেছিলেন ওয়াইস, সে রেকর্ডটি ভাঙলেন জেনিংস। রেকর্ড গড়ে অবশ্য বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি, ১১২ রানে অশ্বিনের তৃতীয় শিকার হয়ে ফিরেছেন ড্রেসিংরুমে।
এর আগেই ইংল্যান্ডকে ভালো ভিত্তি এনে দিয়েছেন এই ওপেনার। অ্যালিস্টার কুকের সঙ্গে ৯৯ রানের উদ্বোধনী জুটি হলো, যেটি ইংল্যান্ডের জন্য স্বস্তির খবর। এ বছর যে ছয়বার ওপেনিং জুটি বদলাতে হয়েছে তাদের। কুক ফিরলেও মঈন আলীর সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ৯৪ রানে প্রথম দুই সেশনে দলকে নিশ্চিত করেছিলেন জেনিংস। তবে ৩ বলের মধ্যে মঈন ও জেনিংসকে ফিরিয়ে ম্যাচে প্রাণ ফিরিয়েছেন অশ্বিন, একটু পরে বেয়ারস্টোরের আউট করে উল্টো ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলেছেন ভারতীয় অফ স্পিনার। ১৯ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে ২ উইকেটে ২৩০–এর স্কোরটা হয়ে গেল ২৪৯/৫!
বেন স্টোকস ও জস বাটলারের অবিচ্ছিন্ন ৩৯ রানের জুটিতেই দিন শেষে এগিয়ে থাকল ইংল্যান্ড।

Be the first to comment on "ভারত-ইংল্যান্ড ৪র্থ টেস্ট শুরু।"

Leave a Reply