বিদ্যুৎ খেকো মানব!

দেহের ভেতর দিয়ে অনায়াসেই প্রবাহিত হতে পারে ১১ হাজার ভোল্ট বিদ্যুৎ। শুধু তাই না, এই বিদ্যুৎ খেয়েই বেঁচে আছেন তিনি। আর এজন্য এই ব্যক্তিকে বলা হয় ‘দ্য হিউম্যান লাইট বাল্ব’ (মানব বাল্ব)। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা নরেশ কুমারের (৪২) ক্ষেত্রে এটাই সত্য।

রাজ্যের মুজাফফরনগরের এই বাসিন্দা জানান, তার দেহ মূলত বিদ্যুৎ নিরপেক্ষ। উচ্চ ভোল্টেজ প্রবাহিত হলেও কোনো ক্ষতি হয় না দেহের। অবশ্য মুখে বলেই নয়, কাজেও তার প্রমাণ দেখিয়ে দেন নরেশ। ১১ হাজার ভোল্টর জীবন্ত বৈদ্যুতিক তার মুখে নিয়ে অনায়াসে বসে থাকতে পারেন তিনি।
একটি হাসপাতালে মৃতদেহ গোসল করানোর কাজ করেন নরেশ কুমার। তিনি বলেন, ‘যখনই ক্ষুধার্ত বোধ করি এবং ঘরে কোনো খাবার থাকে না; খোলা একটি জীবন্ত বৈদ্যুতিক তার মুখে নেই। আধা ঘণ্টার মধ্যেই আমার ক্ষুধা মিটে যায়। আমি আর পাঁচটি খাবারের মতোই বিদ্যুৎ খাই।’

বর্তমানে পাঁচ সন্তানের বাবা নরেশ ছয় বছর আগে আবিষ্কার করেন, তার দেহ বিদ্যুৎ নিরপেক্ষ। তখন দুর্ঘটনাক্রমে তিনি বিদ্যুতের একটি জীবন্ত তার স্পর্শ করে বসেন। পরে দেখলেন, তাতে তার কোনো সমস্যাই হচ্ছে না। ‘বিদ্যুৎখেকো’ এই ব্যক্তি বলেন, ‘আমি তখন আশ্চর্য হয়ে যাই। এর আগ পর্যন্ত আমি আমার এই দক্ষতা সম্পর্কে জানতাম না। এটা ভগবানের উপহার। আমি খুশি যে তিনি আমাকে এই গুন দিয়ে ধন্য করেছেন।’

বিভিন্ন সময়ে অবশ্য তাকে এই যোগ্যতার পরীক্ষা দিতে হয়েছে। সব পরীক্ষায়ই পাস করেছেন তিনি। এমনকি তার দেহে যখন বিদ্যুৎ চলাচল করে, তখন টেস্টার ধরলে সেটিতেও আলো জ্বলতে থাকে।

Be the first to comment on "বিদ্যুৎ খেকো মানব!"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*