প্রাণনাশের কারণ যখন ঘোড়া!


নিজের জীবন বাঁচাতে,বিশেষ করে গ্রামের মানুষজন সাপ দেখলেই তা মেরে  ফেলার চেষ্টা করে।বিষাক্ত সাপের বিভিন্ন প্রজাতি রয়েছে সারা পৃথিবীতে। বিষাক্ত সাপের অভাব নেই অস্ট্রেলিয়ায়ও। সেখানে অনেক মানুষের মৃত্যুঘটে সাপের কামড়ে। কিন্তু অদ্ভুত হলেও সত্য, সেখানে সাপের চেয়ে প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে এক পোষা প্রাণী। এর নাম ঘোড়া। 

২০০০-২০১৩ সালের মধ্যে ঘোড়ার আক্রমণে ৭৪ জন মৃত্যুবরণ করেছেন।বিপজ্জনক প্রাণীদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মৌমাছি ও অন্যান্য হুল ফুটানো পোকা। এদের আক্রমণে ২৭ জনের প্রাণ গেছে। অথচ ভীতিকর মাকড়সার কামড়ে কারো মৃত্যু হয়নি বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। খুনীর তালিকায় আরো আছে হাঙর ও কুমির। এদের আক্রমণে যথাক্রমে ২৬ জনও ১৯ জনের মৃত্যু ঘটে। মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. রনেল ওয়েলটন হাসপাতালে ভর্তি ও মৃতদেহ সংরক্ষণাগার থেকে সংগৃহীত তথ্য তুলে ধরেছেন।অস্ট্রেলিয়ায় বিষধর প্রাণীদের গবেষণা শুরু করেছিলেন ড. ওয়েলটন। যেসব প্রাণী কামড় দেয় ও হুল ফোটায় তাদের কারণেই মানুষের মৃত্যু ঘটে বলে মনে করছিলেন তিনি। কিন্তু গবেষণায় উঠে এসেছে সব বিষধর প্রাণী, বিষাক্ত পোকা-মাকড় থেকেও মারণাত্মক ঘোড়া।ড. ওয়েলটন বলেন, সবাই মনে করে অস্ট্রেলিয়া হচ্ছে সব বিষাক্ত প্রাণীর উৎপত্তিস্থল। পোকা-মাকড়ের কারণে মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। গবেষণার সময় ৪২ হাজার মানুষ পোকা-মাকড়ের কামড়ে হাসপাতালেচিকিৎসা নিয়েছেন। এর এক তৃতীয়াংশ মৌমাছি কিংবা বোলতার কামড়ের শিকার হয়েছেন। 

Be the first to comment on "প্রাণনাশের কারণ যখন ঘোড়া!"

Leave a Reply