পানি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক অংশগ্রহণ বাড়ানো প্রয়োজন : টিআইবি

বাংলাদেশের শিল্পকারখানা গুলোর পানি বর্জ্য অপসারণ করার জন্য নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। যাতে করে পানির উৎস গুলোর উপর বিরূপ কোনো প্রভাব না পরে। তবে অনেক ক্ষেত্রেই সেই নীতিমালার তোয়াক্কা না করে ক্ষতিকর পানি বর্জ্য সরাসরি পানির উৎসে ফেলা হচ্ছে।

https://www.bdnow24.com/category/বাংলাদেশ/
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত  এক মানববন্ধনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) পক্ষ থেকে টিআইবির সিনিয়র প্রোগ্রামার মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, পরিবেশ রক্ষায় বাংলাদেশে আইনি কাঠামো থাকা সত্ত্বেও নানা কারণে পানিদূষণ কমছে না, বরং বাড়ছে। পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি বাংলাদেশের পানি খাতে সমস্যার একটি উল্লেখযোগ্য কারণ।


বাংলাদেশের পানি ও বর্জ্য পানি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবিতে সাতটি সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। সুপারিশের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ পানি আইন ২০১৩ বাস্তবায়ন করা, কলকারখানার জন্য একক বা কেন্দ্রীয়ভাবে বর্জ্য শোধনাগার (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) নিশ্চিত করা, পানি ও পয়োনিষ্কাশন-ব্যবস্থা উন্নয়নে স্থানীয় লোকজনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, শিল্পবর্জ্য নির্গমন রোধে আইন ও বিধিমালার কঠোর প্রয়োগ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উৎস থেকে পানি খাতে তহবিলের সুষ্ঠু বরাদ্দ ও ব্যবহার নিশ্চিত করা।

অন্য দিকে, মানববন্ধনে টিআইবি সদস্য আইনজীবী তানবীর সিদ্দিকী বলেন, এ দেশে পানির ব্যবস্থাপনাকে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না। পানি ব্যবস্থাপনা কতটা খারাপ, তা পানিসংকটের মাধ্যমে শহরবাসী বুঝতে পারেন। বুড়িগঙ্গা নদীটি এখন পর্যন্ত দখল ও দূষণমুক্ত করা যায়নি।

মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হুমায়ন কবীর বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে পানি সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। উপকূল এলাকা আগামী ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে নিমজ্জিত হবে। বিভিন্নভাবে নদী ধ্বংস করা হচ্ছে। বুড়িগঙ্গার দিকে তাকালেই এটা বোঝা যায়।

Be the first to comment on "পানি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক অংশগ্রহণ বাড়ানো প্রয়োজন : টিআইবি"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*