নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও জবিতে বাস কমিটি

জবি প্রতিনিধিঃ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সব ধরনের বাস কমিটির উপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও প্রতিনিয়ত একের পর এক বাস কমিটি ঘোষণা করা হচ্ছে, এবং এই বাস কমিটির দৌরাত্ম দিন দিন বেড়েই চলেছে।

পূর্বে বাস কমিটির বিভিন্ন অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলার কারনে বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব ধরনের বাস কমিটির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কিন্তু সম্প্রতি এই বাস কমিটির দৌরাত্ম আবার বেড়েছে।বিভিন্ন বাসে দেয়া হচ্ছে নতুন কমিটি।কিছুদিন পূর্বে জবি থেকে আজিমপুর রোডে যাতায়াত করা বিজয় বাস ও সম্প্রতি সাভার ছাত্র কল্যাণ কমিটিতে সাভার রোডে যাতায়াত করা বংশী বাসে নিয়ন্ত্রন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া অন্যবাস গুলোতেও চলছে পুরনো কমিটি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর আধিপত্ত বিস্তার।

অভিযোগ উঠেছে এই বাস কমিটির আড়ালে বিশ্ববিদ্যালয় বাস গুলোতে চলছে বিভিন্ন ধরনের হয়রানি মূলক কাজ।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাসে যাতায়াত করা এক শিক্ষার্থী জানান, “বাস কমিটির নামে মেয়েদের সিটে ছেলেরা বসে থাকে।”অন্য এক শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জানা যায়, “বাসে সিগারেটের গন্ধে বসা যায়না এবং অযথা বাসের ভিতর মেয়েদের মাঝখান দিয়ে ছেলেরা হাঁটাহাটি করে এবং অনেক জোরে চিৎকার চেচামেচি করে।”

বংশী বাসের এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, “নিচতলায় মেয়েদের সিটে ছেলেরা বসে থাকেন ফলে আমাদের দাঁড়িয়ে যেতে হয়।এবং মেয়েদের পাসে বসে সিগারেট খায় যার ফলে অনেকেরই সমস্যা হয়।” বিভিন্ন বাসের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে ও সরেজমিনে এসব অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জবি পরিবহন প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, আমাদের কাছে এমন কোনো অভিযোগ নেই তবে অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

ছাত্র কল্যাণ পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, বাসে চাঁদাবাজি ও সিগারেট খাওয়ার ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

Be the first to comment on "নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও জবিতে বাস কমিটি"

Leave a Reply