নতুন প্রাণীর সন্ধান, রয়েছে রেইনবো সাপ এবং ক্লিংগন নিউট

নতুন প্রজাতির প্রাণীর সন্ধান পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞানীরা। থাইল্যান্ডের গ্রেটার মেকং অঞ্চলে বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছেন রেইনবো স্নেক এবং ক্লিনগন নিউট।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ড লাইফের প্রকাশিত এক নতুন প্রতিবেদনে মেকংয়ে নতুনভাবে খুঁজে পাওয়া ১৬৩টি প্রজাতির প্রাণীর সঙ্গে বিশ্বকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এদের সবাইকে ২০১৫ সালে খুঁজে পাওয়া গেছে।

বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর সন্ধান মেলে পৃথিবীর যেসব স্থানে, তাদের মধ্যে মেকং এবং তার নদী অন্যতম। এই নদী লাওস, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার এবং ভিয়েতনাম দিয়ে বয়ে গেছে। গত ২০ বছরে এই অঞ্চল থেকে বিজ্ঞানীরা প্রায় ২৫০০ নতুন প্রজাতির প্রাণীর সন্ধান পেয়েছেন। এখানকার পার্বত্য এবং রেইন ফরেস্ট অঞ্চল অজানা প্রাণীতে পরিপূর্ণ।

ফ্লোরিডা মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রির হার্পেটোলজিস্ট ডেভিড ব্ল্যাকবার্ন জানান, নিয়মিত নতুন নতুন প্রাণীর সন্ধান করা হয় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মানুষজন এগুলো খুঁজে বেড়ান না। নতুন প্রাণীদের মধ্যে অনেকগুলোর আকার একেবারে ছোট। বিজ্ঞানী বা অন্যদের পক্ষে এদের খুঁজে বের করা বা চোখে পড়ার বিষয়টি অনেক কঠিন। অনেকগুলো প্রাণী এমন সব স্থানে বাস করে যেখানে গিয়ে এদের খোঁজে খুবই কঠিন বিষয়। আবার অনেকে প্রাণী চোখে পড়লেও এরা নতুন কিনা তাও দ্রুত বোঝা যায় না।

কিন্তু তাদের খুঁজে বের করা অনেক জরুরি বিষয়। প্রাণীদের রক্ষা করার অন্যতম শর্ত তাদের প্রাথমিক শ্রেণীবিন্যাসে ফেলা।

এই পৃথিবীর প্রাণীবৈচিত্র্যের অনেক কিছুই এখনো ব্যাখ্যা করা বাকি রয়ে গেছে। এদের অনেক প্রাণী আবার অস্তিত্বের হুমকির মুখে। তথ্য ছাড়া এদের রক্ষা করা কঠিন বিষয় হয়ে যাবে বলে জানান ব্ল্যাকবার্ন।

প্রাণীদের অস্তিত্বের সংকটের মুখে। বিশেষ করে এই অঞ্চলে উন্নয়কর্ম এবং কয়েকটি বিশাল আকৃতির বাঁধ নির্মাণের কারণে হুমকি বেড়ে গেছে। এসব পরিবর্তনে এখানকার ইকোসিস্টেম পুরোপুরি বদলে যেতে পারে। তার আগে এখানকার উদ্ভিত ও প্রাণী জগতকে বুঝতে হবে। স্বাভাবিক থেকে অদ্ভুত সব ধরনের প্রাণীর অভয়ারণ্য এই মেকং। সূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফি

Be the first to comment on "নতুন প্রাণীর সন্ধান, রয়েছে রেইনবো সাপ এবং ক্লিংগন নিউট"

Leave a Reply