দেখে নিন আনারসের গুণাগুণ!!!

আনারস একটি গ্রীষ্মকালীন ফল।এটি প্রায় সবার পরিচিত একটি রসালো, সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল। আমাদের দেশে সাধারণত মার্চ-আগস্ট মাস পর্যন্ত প্রচুর পরিমাণে আনারস পাওয়া যায়।

প্রতিটি আনারস উদ্ভিদ থেকে বছরে মাত্র একটি ফল পাওয়া যায়।তাছাড়া কাঁচা আনারস খাওয়া যায় না।আর কাঁচা আনারস শুধু খারাপ স্বাদযুক্ত নয়,এটি বিষাক্তও বটে। আর কাঁচা আনারস খেলে মারাত্মকভাবে গলা চুলকাতে পারে।

একটি আনারস পূর্ণ আকার ধারণ করতে দুই বছর পর্যন্ত সময় নিয়ে থাকে।আর এ পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বড় আনারসটির ওজন ছিল ৮.২৮ কেজি। আপনি আনারসকে দ্রুত পাকাতে পারবেন। আর এর জন্য আনারসকে উল্টা করে রেখে দিতে হবে। অর্থাৎ যে পাশে পাতা হয় তা নিচের দিকে রাখতে হবে।

এটিকে মূত্রবর্ধক হিসেবে খাওয়া যায়। তাছাড়া এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, এ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম থাকে।

যেগুলো শরীরের ক্লান্তি দূর করে,চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি করে,হাড় ও দাঁতের গঠন ঠিক রাখতে সাহায্য করে থাকে।

তাছাড়া আনারসে ফ্যাট ও কোলেস্টেরল কম থাকে যা ওজন কমাতে সহায়তা করে থাকে।

তাছাড়া আমাদের সমাজে আনারস ও দুধ এক সাথে খাওয়া যায় না এই কথাটি শোনা হয়নি এমন লোকের সংখ্যা খুব কমই আছে।কিন্তু সত্যিকার অর্থে এটি একটি ভুল ধারণা।
কেননা যে কোন ফলকে দুধের সাথে মেশানো হলে ফলের এসিডের কারণে দুধ ছানা হয়।তাছাড়া এটি এনজাইমের কারণেও হতে পারে।

আনারসে রয়েছে ব্রোমেলিন নামক এনজাইম যা দুধকে ছানা করতে পারে।এক্ষেত্রে আনারস পেপটিডাইজড বিক্রিয়া করে।
আজকাল দুধ আর আনারস মিশিয়ে অনেক সুস্বাদু খাবার তৈরি হচ্ছে। তাই আনারস ও দুধ একসাথে খেলে আপনি মারা যাবেন না।

Be the first to comment on "দেখে নিন আনারসের গুণাগুণ!!!"

Leave a Reply