ঠেঙ্গার চরে স্থানান্তরিত হতে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা 

​মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে মায়ানমার সেনাবাহিনীর বর্বর আক্রমণের হাত থেকে নিজেদের জীবন বাঁচাতে রোহিঙ্গা মুসলমানেরা আশ্রয় নেয় বাংলাদেশে।  এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়ে ওঠেনি।  


অন্যদিকে বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের নিয়েও শুরু হয়েছে সমস্যা।  এত পরিমাণ রোহিঙ্গাদের সঠিক সেবা প্রদান করা চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়ে যাচ্ছে।  

রোহিঙ্গাদের সেবা নিশ্চিতকরণ এবং তার পাশাপাশি বাংলাদেশি জনগণের সাথে মিশে যাওয়া রোধ করার জন্য স্থানান্তর করা হচ্ছে রোহিঙ্গাদের।  

স্থানান্তর নিয়ে মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেন যে,  মায়ানমারের অবৈধ যে সব নাগরিক বাংলাদেশে আছেন, (বিশেষ করে কুতুপালংয়ের শিবিরে) সেখানকার ধারণ ক্ষমতা ৩০ হাজার হলেও সেখানে এখন তিন লাখ লোক অবস্থান করছে। ফলে কক্সবাজার ও উখিয়াতে পরিবেশের পাশাপাশি সামাজিক ও প্রাকৃতিক বিপর্যয় হচ্ছে। এ ছাড়া তাদের স্বাস্থ্যগত সেবা দেওয়াও সম্ভব হচ্ছে না। শিবিরের পরিবেশের অবস্থা এতটা খারাপ যে সেটিকে ভালো করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে তাদের সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় লাগবে।

নতুন বাসস্থান নির্মাণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঠেঙ্গার চরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বসবাসের উপযোগী শিবির তৈরির জন্য সেনাবাহিনীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এখনই নয়, আস্তে-আস্তে কাজটি শুরু করা হবে। 

রোহিঙ্গারা সেখানে অস্থায়ী ভিত্তিতে থাকবে এবং আমরা চাইব যত শিগগির সম্ভব মায়ানমার তাদের ফিরিয়ে নেবে। তবে যত দিন তারা থাকবে তাদের যেন যথাযথ মানবিক সেবাগুলো দেওয়া যায় সেই চেষ্টা থাকবে। এ ছাড়া কক্সবাজারের শিবিরগুলোতে বিনিয়োগ করে সেখানে যাতে বাড়তি লোকজন থাকতে পারে, সেটিও করা হবে।

Be the first to comment on "ঠেঙ্গার চরে স্থানান্তরিত হতে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা "

Leave a Reply