জার্মানিতে শিশুদের স্মার্টওয়াচ ধ্বংসের নির্দেশ

উন্নত বিশ্বে স্মার্টওয়াচ শুধু ফ্যাশন কিংবা ফোন রিসিভ করার জন্যে ব্যবহার করা হয় না। বরং সেখানে স্মার্টওয়াচ বিশেষ বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে ব্যবহার করা হয়। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, নজরদারি বা গোয়েন্দাগিরি। ঠিক গোয়েন্দাগিরি বলতে যা বোঝায় সেরকম নয়। এখানে গোয়েন্দাগিরি বলতে বোঝানো হয়েছে কোনো মা তার সন্তান ঠিকমতো ক্লাস করছে কিনা কিংবা তার টিচারের লেকচার না শুনে ক্লাসে গল্প করছে কিনা সেটা জানার জন্য স্মার্টওয়াচের ব্যবহার। জার্মানিতে বিক্রি হওয়া স্মার্টওয়াচগুলোতে মাইক্রোফোন ব্যবহার করা হয়। ফলে অনেক অভিভাবক বাসায় বসে সন্তানের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবহিত হতে পারেন। কিন্তু এতে করে অন্যের ব্যক্তিগত তথ্য অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবেও পাচার হতে পারে। তাই দূর নিয়ন্ত্রিত এসব চিলড্রেন স্মার্টওয়াচ জার্মানির টেলিকম রেগুলেটর ধ্বংসের নির্দেশ দিয়েছে। জার্মানির টেলিকম রেগুলেটর ফেডারেল নেটওয়ার্ক এজেন্সি ঘোষণা দিয়েছে এসব চিলড্রেন স্মার্টওয়াচ শুধু ধ্বংস করলেই হবে না, ধ্বংস করে তার জন্য সার্টিফিকেটও নিতে হবে। ৫ থেকে ১২ বছরের শিশুদের জন্য তৈরি এসব স্মার্টওয়াচ এখন জার্মানির আইনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে কল করা বা অন্য কাজে ব্যবহৃত ‘অ্যাপল স্মার্টওয়াচ’ জার্মানির আইনে ব্যবহার নিষিদ্ধ নয়।

Be the first to comment on "জার্মানিতে শিশুদের স্মার্টওয়াচ ধ্বংসের নির্দেশ"

Leave a Reply