অম্লতার কারণে সৃষ্ট ক্ষয় ব্যাকটেরিয়াজনিত ক্ষয়

দাঁতে দাঁতে ঘর্ষণের সৃষ্টি ক্ষয়

ত্রুটিপূর্ণ অভ্যাসের কারণে দাঁতে এ জাতীয় ক্ষয় হয়ে থাকে। অনেকেই আছেন যারা রাতে ঘুমের মধ্যে নিজের অজান্তেই দাঁতে দাঁত কাটেন। এতে দাঁতের ক্ষতি হয়। যারা বেশি আঁশযুক্ত শক্ত খাবার খান তাদের দাঁতেও এ রকম ক্ষতি হয়ে থাকে। দাঁতে দাঁত ঘর্ষণের ফলে দাঁতের অগ্রভাগ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে থাকে। এই ক্ষয়ের পরিমাণ বাড়তে থাকলে এনামেল ক্ষয় হয়ে ডেন্টিন এবং শেষে মজ্জা আক্রান্ত হয়। তখন দাঁতে ব্যথা পর্যন্ত হতে পারে। অনেক সময় দেখা যায়, দাঁত এত বেশি ক্ষয় হয় যে, দাঁত এবং মাড়ি সমান হয়ে যায়।

চিকিৎসা
রাতে ঘুমের মধ্যে দাঁত কাটার অভ্যাস থাকলে ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শ মোতাবেক তার চিকিৎসা নিতে হবে। এ ছাড়া বেশি আক্রান্ত দাঁতগুলোকে রুট ক্যানেল করে ক্রাউন করে দাঁত সংরক্ষণ করা যায়।

ভুল পদ্ধতিতে দাঁত পরিষ্কার করার অভ্যাসের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়

ভুল পদ্ধতিতে দাঁত পরিষ্কার করলে দাঁতের ক্ষয় হয়। নিয়ম হলো দাঁত ব্রাশ করতে হবে উপর নিচ বরাবর। কিন্তু সে ক্ষেত্রে যদি পাশাপাশি দাঁত ব্রাশ করা হয় দাঁত এবং মাড়ির সংযোগস্থল বরাবর দাঁত ক্ষয় হয়ে যায়। এ ছাড়াও কয়লা, বালু, কাদামাটি, ছাই ইত্যাদি দিয়ে জোরে জোরে দাঁত মাজলে প্রাথমিকভাবে হাসিতে মুক্তা ছড়ালেও পরবর্তী সময় দাঁতের ব্যথায় কাঁদতে হবে। এ ক্ষেত্রে দাঁতের ক্ষয়ের পরিমাণ বেশি হলে এবং চিকিৎসা না করলে দাঁত যেকোনো সময় ভেঙে যেতে পারে।
চিকিৎসা
সঠিক নিয়মে অবশ্যই নরম ব্রিসনাযুক্ত ব্রাশ দিয়ে দাঁত মাজতে হবে।
কয়লা, পাথর, বালু গুল, ছাই ইত্যাদি দানাদার মাজন বাদ দিয়ে টুথব্রাশ, টুথপেস্ট ব্যবহার করতে হবে। দাঁতের ক্ষয় হয় বুঝতে পারার সাথে সাথে দেরি না করে অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জনের শরণাপন্ন হতে হবে।

Be the first to comment on "অম্লতার কারণে সৃষ্ট ক্ষয় ব্যাকটেরিয়াজনিত ক্ষয়"

Leave a Reply